১ লাখ ৬৯ হাজার শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব প্রাথমিকে

প্রকাশিত: ১:৫৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২০

১ লাখ ৬৯ হাজার শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব প্রাথমিকে

সিলেটের চাকরির খবর ডেস্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে নতুন করে ১ লাখ ৬৯ হাজার ১২৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দিয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত পদের মধ্যে সঙ্গীত শিক্ষকের পদ রয়েছে ২ হাজার ৫৮৩টি এবং শারীরিক শিক্ষকের পদ রয়েছে ২ হাজার ৫৮৩টি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

ইতোমধ্যে শূন্য পদে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ২৭ হাজার ৯৫৬টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক ৩১৮টি, সহকারী শিক্ষকের পদ ১ হাজার ২৭২টি, এবং প্রাক-প্রাথমিক স্তরের জন্য ২৬ হাজার ৩৬৬টি পদ সৃষ্টি করা হয়। এসব পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

নতুন করে পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুযায়ী ১ লাখ ৬৯ হাজার ১২৪ জন শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৮৩টি সঙ্গীত, ২ হাজার ৫৮৩টি শারীরিক শিক্ষা, ৯৮ হাজার ৩৩৮টি সাধারণ শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ৬৫ হাজার ৬২০টি পদ রয়েছে।

দেশে বর্তমানে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৯৯টি। এর মধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একযোগে জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৩৭ হাজার ৬৭২টি।

বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় করা হয়েছে ১ হাজার ২০৭টি। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দফায় নতুন করে জাতীয়করণ করেছেন ২৬ হাজার ১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় রয়েছে ৬১টি।

এসব বিদ্যালয়ে মোট সরকারি শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৪ জন। নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হচ্ছে ৩২ হাজার ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য। আর নতুন করে আরও ১ লাখ ১ লাখ ৬৯ হাজার ১২৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই প্রাথমিকের প্রশাসনিক সংস্কারে হাত দেন। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষকের ঘাটতি পূরণের কাজটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।

সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন। শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃষ্টিই নয় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ১ হাজার ৬৮০টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রশাসনিক সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি করোনার সময় অনেকগুলো কাজ নতুন করে শুরু করা হয়েছে।’

সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

তানজিনা বেগম

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন