শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

তরমুজ বিক্রি হচ্ছে না

ডেস্ক রিপোর্ট / ৪৬৪ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪
তরমুজ বিক্রি হচ্ছে না

বাজারে তরমুজ থাকলেও নেই ক্রেতা। পাইকাররাও দিচ্ছেন না দাম। তাই বিক্রি হচ্ছে না তরমুজ। পচনশীল হওয়ায় তাই নামে মাত্র দামে পাইকারদের কাছে তরমুজ বিক্রি করছেন কৃষকরা। এমন দৃশ্য তরমুজ উৎপাদন এলাকা পটুয়াখালীর।

এবার জেলায় প্রচুর তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। তবে দাম খুব কম। তরমুজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, তরমুজ পাইকারি বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা,পরিবহন খরচই উঠছে না। ফলে কৃষকদের মাথায় হাত। তরমুজ চাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

পটুয়াখালী চরবিশ্বাসের কৃষকরা জানান,যারা ক্ষেত কিনে রেখেছিলেন বৈরি আবহাওয়ার কারণে তারা গত দুই দিন অপরিপক্ক তরমুজসহ সব তরমুজ কেটে বাজারে তুলেছেন। ফলে বাজারে তরমুজ সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা নেই। আবার কাঁচা থাকার কারণে সাধারণ ক্রেতারাও তরমুজ কিনছেন না। পাশাাপশি ক্ষেতে এখনো ৪০ থেকে ৫০ ভাগ তরমুজ রয়েছে।

কৃষকরা আরও জানান, কয়েকদিন আগেও এক ট্রাক তরমুজ বিক্রি হয়েছে ৭/৮ লাখ টাকায়। এখন তা ২/৩ লাখ টাকার বেশি বিক্রি করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে ক্ষেতের তরমুজ ৪/৫ দিনের মধ্যে পেকে যাবে। তখন তরমুজ সরবরাহ আরো বাড়বে। তখনো দাম কম থাকলে কৃষকেরা পকেটের টাকা গচ্চা দিয়ে পরিবহন খরচ করে তরমুজ নিয়ে হয়তো বাজারে যাবেন না। তখন ক্ষেতেই ক্ষেতেই পঁচে যাবে সব তরমুজ।

কৃষকেরা বলছেন,কয়েকদিন আগে সবচেয়ে ভালো মানের ৮-১২ কেজি ওজনের ১০০টি তরমুজ পাইকারি বিক্রি ছিল ৪ হাজার টাকা। যা এখন কমে হয়েছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। যা দিয়ে উৎপাদন খরচও উঠবে না। এরপর তা পরিবহন খরচ করে বাজারে নেওয়াতো আর সম্ভব না।

পটুয়াখালীতে এবার আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে উৎপাদিত এ ফসলের দাম না পেয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।


এই বিভাগের আরো খবর