বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
আফসানা উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের মো.বাহারুল এর স্ত্রী ও শুলটিয়া গ্রামের কুবাদ মোল্যার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার নোয়গ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের ইদ্রিস শেখের ছেলে মো. বাহারুল ও শুলটিয়া গ্রামের কুবাদ মোল্যার মেয়ে আফসানা খানমের বিবাহ সম্পন্ন হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে আফসানা খানম নামে ওই গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে তা উদ্ধার করে শশুর বাড়ি ও স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
আফসানার পরিবারের অভিযোগ, আফসানার সাথে তার স্বামী ও শাশুড়ী যৌতুকের জন্য খারাপ ব্যবহার ও চাপ সৃষ্টি করতো। যৌতুকের টাকার জন্য আফসানাকে তারা মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে এমনটাই দাবী তার পরিবারের। এ ঘটনায় তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তারা।
অভিযুক্ত শাশুড়ীর দাবী যে বুধবাত দিবাগত রাতে কখন গলায় দড়ি দিয়ে সে মরে গেছে তা জানিনা। এছাড়া যৌতুক চাওয়া ও খারাপ ব্যবহারের বিষয়টি অস্বিকার করেন।
আফসানার স্বামী মো.বাহারুল পলাতক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
লোহাগড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজিত সরকার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।