শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

আনোয়াররুজ্জামান চৌধুরী ,এস এম শওকত আমীন তৌহিদ এর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের

ডেস্ক রিপোর্ট / ১১৮৯ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
আনোয়াররুজ্জামান চৌধুরী ,এস এম শওকত আমীন তৌহিদ এর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের

আনোয়াররুজ্জামান চৌধুরী ,এস এম শওকত আমীন তৌহিদ এর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের

সিলেট নগরীর খোজারখলা মারকাজ পয়েন্ট, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট এলাকায় সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন দমানোর জন্য । ছাত্র জনতা ঘটনাস্থল খোজারখলা মার্কাজ পয়েন্টে অর্থাৎ বিগত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ৩.০০ ঘটিকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের সময় ১২-৬৪ নং আসামীগণ বে-আইনী জনতায় মিলিত হইয়া দেশি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র বন্দুক, পিজল, নাইন এমএম, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান, ককটেল, পেট্রোল বোমা, দা, রাম দা, কিরিছ, রড, সুলফি, লাঠি, জিআই পাইপ সহ ইত্যাদি বে- আইনী অস্ত্র সত্র নিয়া নিরীহ ও নিরস্ত্র ছাত্র জনতাকে চতুরদিক থেকে ঘিরে ফেলে শক্তির ধাপট দেখাইয়া দলবদ্ধ ভাবে শক্তির মহড়া, ধাপট প্রদর্শন করিয়া ও ভয়ভীতি দেখাইয়া অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করিয়া নিরীহ ছাত্র জনতাকে হত্যার জন্য নির্বিচারে ককটেল ও পেট্রোল বোমা এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া গুলি বর্ষন করে। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক সেতুমন্ত্রী, সাবেক মেয়র সাবেক তথ্য উপদেষ্টা, সাবেক প্রেস সচিব,ওয়ার্ড যুবলীগ,কাউন্সিলর সহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নগরীর দক্ষিণ সুরমা এলাকার মোঃ জাকির হোসেন দিপু। মামলায় ৬৪ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় আসামীরা হলেন ১। শেখ হাসিনা (৭৬) সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

২। শেখ রেহানা (৭০) উভয় পিতা-মৃত শেখ মুজিবুর রহমান, উভয় সাং-১২ ধানমন্ডি লেক রোড, থানা-ধানমন্ডি, জেলা-ঢাকা।

৩। ওবায়দুল কাদের (৭৪), সাবেক সেতুমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পিতা-মৃত মোশারফ হোসেন, সাং-বড় রাজাপুর (বর্তমানে-বসুরহাট), থানা-কোম্পানীগঞ্জ, জেলা-নোয়াখালী।

৪। মোঃ আসাদুজ্জামান খান কামাল (৭৩), পিতা-আশরাফ আলী খান, মাতা-আকরামুন নেসা, সাবেক স্বরাষ্টমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

৫। মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (৬১) সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পিতা-অজ্ঞাত

৬। আনিসুর রহমান (৬৮) সাবেক আইনমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। পিতা-সিরাজুল হক

৭। সালমান এফ রহমান (৭৩), সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পিতা-ফজলুর রহমান

৮। শফিকুর রহমান চৌধুরী (৬২), সাবেক প্রতিমন্ত্রী, প্রবাসী কলাণে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

৯। আনোয়াররুজ্জামান চৌধুরী (৫৫),পিতা-অজ্ঞাত সাবেক মেয়র, সিলেট সিটি কর্পোরেশন,

১০। হাবিবুর রহমান হাবিব (৫৫)সাবেক সংসদ সদস্য, সিলেট-৩

১১। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল (৫৫)সাবেক সংসদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

১২। তাকবির ইসলাম পিন্টু (৪০), (কাউন্সিলর, ২৫নং ওয়ার্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন), পিতা-মকবুল মিয়া,

সাং-৩০১ সি খোজারখলা, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট।

১৩। মোঃ ছুরত আলী (৪৬), (সাংগঠনিক সম্পাদক বঙ্গবন্ধু প্রজনা লীগ, সিলেট মহানগর শাখা)পিতা-মৃত ইসমাইল আলী, সাং-রহমতপুর, ডাকঘর- জয়নগর বাজার, থানা-সুনামগঞ্জ সদর, জেলা- সুনামগঞ্জ, বর্তমানে-৪৪,

রাজাম্যানশন, পশ্চিম জিন্দাবাজার, থানা-কোতোয়ালী,এসএমপি, সিলেট।

১৪। শামীম আহমেদ (৪০), সভাপতি ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগ, সিলেট, পিতা-মৃত মুহিবুর রহমান, সাং- শেখঘাট, সিলেট। শুভেচ্ছা ২৫০,

১৫। জুমাদিন আহমদ (৪৮), (কার্যনির্বাহী সদস্য, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, খোজারখলা, ব্লক-ডি, ২৫নং ওয়ার্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

১৬। এস এম শওকত আমীন তৌহিদ (৪৬), পিতা- এম সুলতান, সাং-প্রত্যয়-৯০, রায়নগর, দপ্তরীপাড়া, সিলেট।

১৭। আব্দুর রহমান জামিল (৫৭), প্রচার সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ), পিতা-আব্দুল বাছিত, সাং-রাসোস-৩১, রায়নগর, সোনারপাড়া, সিলেট।

১৮। রেজাউল ইসলাম রেজা উরফে বন্দুক রেজা (৪০),সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট জেলা যুবলীগ, পিতা-এলাই মিয়া, সাং- মাঝরগাঁও, ডাকঘর-দেওকলস, থানা- বিশ্বনাথ,সিলেট। বর্তমানে- মার্কেট, সিলেট। সুরমা আবাসিক হোটেল, সুরমা

১৯। সুমন আহমদ আরশ (২৭), ৭নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ,পিতা-মোঃ আব্দুল হক, সাং- হকেরবাড়ী সোনাপুর, থানা- বালাগঞ্জ, জেলা-সিলেট, বর্তমানে-পীর মহল্লা, ৭নং ওয়ার্ড, সিলেট।

২০। ইমাদ উদ্দিন (৪২), সিলেট মহানগর যুবলীগ, পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, সাং-বাসা নং-২০, ব্লক-বি, শাহজালাল উপশহর, সিলেট।

২১। আব্দুস সালাম মোল্লা (৫৫), সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা উলামালীগ, পিতা-মৃত আব্দুর রকিব কুটন, সাং-রাড়িগ্রাম, থানা- জকিগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

২২। আব্দুল ফাত্তাহ (৪৫), সহ প্রচার সম্পাদক, স্বোচ্ছাসেবকলীগ, সিলেট মহানগর, পিতা-মৃত আব্দুর রকিব কুটন, সাং- রাড়িগ্রাম, থানা-জকিগঞ্জ, জেলা-সিলেট, বর্তমানে-আম্বরখানা গোয়াইপাড়া, সিলেট।

২৩। ফয়ছল মিয়া (৪০), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-বাসা- তপুরন আখালিয়া, সিলেট।

২৪। সারওয়ার আলম সাদ্দাম (২৮), ছাত্রলীগ ক্যাডার, পিতা-শাহিন আলম, সাং-১৫১, করপুল ভিলা, লেন-৮, হাউজিং স্ট্রেইট, সিলেট।

২৫। মোঃ বদরুল আলম (৪৯), বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, পিতা-তাজ উদ্দিন, সাং-দুয়বসি, মাথিউরা, বিয়ানীবাজার, সিলেট। ২৬। আতিকুর রহমান মুন্না (৩৫), ছাত্রলীগ ক্যাডার, পিতা-মৃত আতা মিয়া, সাং-দাসপাড়া, থানা-শাহপরাণ, জেলা-সিলেট।

২৭। মোঃ আজমল আলী (৩৫), যুবলীগ নেতা, বালাগঞ্জ উপজেলা, পিতা-সিদ্দেক আলী, সাং-তেঘরিয়া, ভেত্রিকুল, বাংলাবাজার, থানা- বালাগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

২৮। তেরা মিয়া (৫২), সভাপতি ৩নং খাদিমনগর ইউ/পি আওয়ামীলীগ, পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, সাং-মুংলীপার, থানা- এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেট।

২৯। আজাদ আহমদ ছাদ (৪৭), খাদিমনগর ইউ/পি ঘোচ্ছাসেবকলীগ নেতা, পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, সাং-বাইপাস,থানা-এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেট।

৩০। লুৎফুর রহমান (৩৮), যুগ্ম আহ্বায়ক, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, পিতা-মৃত আব্দুর রহমান, সাং-মুংলীপার, থানা-এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেট।

৩১। ইরন মিয়া (৪৭), যুবলীগ নেতা, পিতা-মৃত আজির উল্লাহ,

৩২। মশাইদ আলী (৪২), যুবলীগ নেতা, পিতা-আব্দুল মুকিত,

উভয় সাং-মাঝরগাঁও, থানা-বিশ্বনাথ, জেলা-সিলেট

৩৩। শাহিনুর রহমান শাহিন (৪৫), পিতা-মৃত মুহিবুর রহমান,সাং-শুভেচ্ছা-২৫০, শেখঘাট, সিলেট।

৩৪। মুরাদুল ইসলাম তুহিন (২২), ছাত্রলীগ নেতা (পল্লব গ্রুপ), পিতা-মৃত আব্দুর রহিম দুদু মিয়া, সাং-নয়াগ্রাম, থানা- বিয়ানীবাজার, জেলা-সিলেট। ৩৫। আকমল হোসেন (৪৫), আওয়ামীলীগ নেতা, পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, সাং-সাহেবের গাঁও, থানা-জালালাবাদ, জেলা- সিলেট।

৩৬। নূর মিয়া (৪৫), আওয়ামীলীগ নেতা, পিতা-আহমদুর রব আখই মিয়া,

৩৭। বদরুল মিয়া (৪০), যুবলীগ নেতা, পিতা আহমদুর রব আখই মিয়া, উভয় সাং-সচেতন ২২/বি, ফুলবাড়ী পূর্বপাড়া,কদমতলা, ওয়ার্ড নং-০২, গোলাপগঞ্জ পৌরসভা, থানা-গোলাপগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

৩৮। এলাইছ আহমদ (৩৫), পিতা-ময়না মিয়া, সাং-খয়েরপুর, বুরুঙ্গা, থানা-ওসমানীনগর, সিলেট।

৩৯। শামীম ইকবাল (৪৩), সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা, পিতা- রফিক উল্লাহ, মাতা-আলেয়া বেগম, বাসা নং-০২, ব্লক-সি, রোড নং-৩৯, উপশহর, সিলেট।

৪০। ফলিক খান (৪২), পিতা-মৃত হাজী আপ্তাব আলী খানা, মাতা-করিমুন নেছা খান, সাং-লামা চন্দনপুর, গোলাপগঞ্জ,সিলেট।

৪১। শামীম আহমদ (৩২), ছাত্রলীগ নেতা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা, পিতা-মৃত শফিক মিয়া,

৪২। রুনু মিয়া (৩২), যুবলীগ নেতা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা, পিতা-মৃত তুরন মিয়া, উভয় সাং-কাজিরখলা, বরইকান্দি, ২৫নং ওয়ার্ড সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

৪৩। হাসান শাহরিয়ার এনাম (৩৮), বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক, কলকলিয়া ইউ/পি আওয়ামীলীগ, পিতা-মৃত আব্দুল মতিন, সাং- শ্রী ধরপাশা, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

৪৪। আহসানুল হক আবিদ (৩০), ছাত্রলীগ, পিতা-আছকার আহমদ, বাসা নং-৭৮, সওদাগরটুলা, কতোয়ালী, সিলেট।

৪৫। বদরুল আলম (৪০), যুবলীগ নেতা, পিতা-মৃত হাজী আব্দুল খালিক, সাং-চৈতননগর, বিশ্বনাথ, সিলেট।

৪৬। শাহিন আলম (৪৫), আওয়ামীলীগ নেতা, পিতা-মৃত হাজী আব্দুল খালিক, সাং-চৈতননগর, বিশ্বনাথ, সিলেট।

৪৭। সোহেল আহমদ (৪২), সহ-সভাপতি তাতীলীগ, দক্ষিণ সুরমা শাখা, পিতা-মজম্মিল আলী, সাং-সুড়িগাও, ধাপ্পাইপার, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট।

৪৮। মহসিন কামরান (৫০), দপ্তর সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ, পিতা-অজ্ঞাত, সাং-ভার্থখলা, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট।

৪৯। নুর উদ্দিন রাসেল (৩৬), সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ, সিলেট, সাং-লাউয়াই, পর্বতপুর, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট।

৫০। সাজ্জাদুর রহমান সাজু (২৯), ছাত্রলীগ নেতা, পিতা-আপ্তাব মিয়া, সাং-সওদাগরটুলা, সিলেট।

৫১। সুলতান আলী মনসুর (৩৯), পিতা-ক্বারী ইসমাইল আলী, সদস্য সিলেট জেলা যুবলীগ, সাং-গালিমপুর, থানা- দক্ষিণ

সুরমা, জেলা-সিলেট

পূর্বতিলপাড়া, বুরুঙ্গা, থানা-ওসমানীনগর, জেলা-সিলেট।

৫২। শামীম খান চুনু (৪০), পিতা-মৃত জায়ফর আলী, সাং- ৫৩। শাহাব উদ্দিন (৪২), পিতা-মৃত দুদু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ, ৭নং ওয়ার্ড, ১১নং শরিফগঞ্জ ইউ/পি. সাং- সিলেট। কনাইরচক, থানা-গোলাপগঞ্জ, জেলা-

৫৪। ঝুমন আহমদ (২৩), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা ছাত্রলীগ, পিতা-আব্দুল ওয়াজিদ, সাং-উত্তর গোলাপনগর,সোনারটুল, থানা-গোলাপগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

৫৫। মাহমুদ আহমদ (২২), সদস্য গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, পিতা-মৃত আব্দুল মালিক, সাং-গোলাপনগর সোনারটুল, থানা- গোলাপগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

৫৬। মাহিন আহমদ মাহিন (২৫), যুগ্ম সম্পাদক গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, পিতা-নুর মিয়া, সাং-লক্ষনাবন্দ, থানা- গোলাপগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

৫৭। সাকু মিয়া (৩৫), যুবলীগ, সিলেট মহানগর, পিতা-মৃত মতি মিয়া, সাং-অনামিকা, শাহী ঈদগাহ, সিলেট।

৫৮। আব্দুল মাজেদ (৩০), যুবলীগ, সিলেট মহানগর, পিতা- আব্দুল মুকিত, শাপলাবাগ, লতই ভিলা, শাহপরাণ, সিলেট।

৫৯। সায়েম আহমদ (২০), প্রচার সম্পাদক, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, পিতা-আব্দুল মালেক, সাং-দক্ষিণ বাগা, থানা- গোলাপগঞ্জ, জেলা-সিলেট।

৬০। আব্দুল জলিল ময়না মিয়া (৫৮), ২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা, পিতা-মৃত আব্দুল বারী, সাং-হবিনন্দি ২৭ নং ওয়ার্ড, সিলেট।

৬১। জাবেদ আহমদ (৩৭), যুবলীগ নেতা, পিতা-মৃত সিকন্দর আলী, হবিনন্দি ২৭নং ওয়ার্ড, সিলেট।

৬২। ফরহাদ আহমদ (৪২), যুবলীগ নেতা, পিতা-গেদন মিয়া,হবিনন্দি, ২৭নং ওয়ার্ড, সিলেট।

৬৩। জাকির আহমদ রুবেল (৩৩), ছাত্রলীগ, পিতা-মছব্বির মিয়া, সাং-ধরাধরপুর, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট

৬৪। মোঃ নাছির উদ্দিন (৪৮), বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, পিতা-মৃত আফতার উদ্দিন, সাং-হরিশ্যাম, থানা-বালাগঞ্জ, জেলা-সিলেট

অভিযোগে মামলার বাদী উল্লেখ করেন, দরখাস্তকারী/বাদী একজন সহজ সরল আইনমান্যকারী লোক হন। পক্ষান্তরে আসামীগণ খুবই খারাপ, সন্ত্রাসী, ক্ষমতালোভী, নির্যাতনকারী, খুনি, আইন অমান্যকারী লোক হয়। সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন দমানোর জন্য এবং ছাত্র জনতাকে নিশ্চিন্ন ও খুন করার জন্য ১-১১ নং আসামীগণের হুকুমে, ষড়যন্ত্রে ও উস্কানি দিয়া ঘটনার দিন বাদী, সাক্ষী সহ নিরীহ ছাত্র জনতা ঘটনাস্থল খোজারখলা মার্কাজ পয়েন্টে অর্থাৎ বিগত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ৩.০০ ঘটিকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের সময় ১২-৬৪ নং আসামীগণ বে-আইনী জনতায় মিলিত হইয়া দেশি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র বন্দুক, পিজল, নাইন এমএম, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান, ককটেল, পেট্রোল বোমা, দা, রাম দা, কিরিছ, রড, সুলফি, লাঠি, জিআই পাইপ সহ ইত্যাদি বে- আইনী অস্ত্র সত্র নিয়া নিরীহ ও নিরস্ত্র ছাত্র জনতাকে চতুরদিক থেকে ঘিরে ফেলে শক্তির ধাপট দেখাইয়া দলবদ্ধ ভাবে শক্তির মহড়া, ধাপট প্রদর্শন করিয়া ও ভয়ভীতি দেখাইয়া অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করিয়া নিরীহ ছাত্র জনতাকে হত্যার জন্য নির্বিচারে ককটেল ও পেট্রোল বোমা এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া গুলি বর্ষন করে। তখন ঘটনাস্থল ও আশপাশে আসামীগণ ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি করে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিভিন্ন অস্ত্রের ব্যবহারের ছবি, ভিডিও

বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রহিয়াছে। আসামীগণের গুলি বর্ষনের ফলে বাদীর পায়ে গুলি লাগিয়া রক্তাক্ত জখম হয় এবং আসামীগণের ককটেল বোমা ছাত্র জনতার উপর নিক্ষেপের ফলে ককটেল বোমার শব্দে বাদীর ডান কান নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে বাদী উক্ত কান দিয়া কোন কিছু শুনতে পারেন না। নিরীহ অনেক ছাত্র জনতা আসামীগণের ককটেল, পেট্রোল বোমার আঘাতে ও গুলিতে আহত হইয়া সিলেটের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। বাদী প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। তখন আসামীগণের ত্রাস সৃষ্টির ফলে নিরীহ ছাত্র জনতা ও জনসাধারণ চতুরদিকে ছোটাছুটি করেন প্রাণ রক্ষা করেন। উক্ত ঘটনার পরের দিন ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ফলে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসায় বাদী আসামীগণের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া উক্ত বিষয় নিয়া থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়ায় কিছুটা বিলম্বে মাননীয় আদালতে মামলা দায়ের করিলেন। বাদীর সাক্ষী প্রমাণ আছে।

অতএব, প্রার্থনা যে, উপরোক্ত অবস্থা বিবেচনা করিয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামীগণের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে হুজুর আদালতের মর্জি হয়।


এই বিভাগের আরো খবর