বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

নির্ধারিত দামের বেশি এলপিজি বিক্রি করলেই ব্যবস্থা

ডেস্ক / ৭ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
এলপিজি আমদানিতে ঋণসুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বাজার তদারকি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থার প্রতিটি ধাপের তথ্য সংগ্রহ করে অনিয়ম ও অসংগতি শনাক্ত করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।তিনি জানান, এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে জ্বালানি বিভাগ সব জেলা প্রশাসকের সাথে অনলাইনে মতবিনিময় সভা করেছে। সভায় বাজার তদারকি বাড়ানো এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে নিজ জেলার সব এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপারেটর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি, মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার পর্যায়ে কত পরিমাণ এলপিজি সরবরাহ করা হয়েছে, সেই হিসাব সংগ্রহ করতে হবে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত পরিচয়ও নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

এলপিজির সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে জেলা প্রশাসকদের দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারদের সাথে সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব সভায় নিজ নিজ জেলার সরবরাহ, বিতরণ ও বাজারজাতকরণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে।সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পর্যায়ের তথ্য পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। কোনো অপারেটর, ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ডিস্ট্রিবিউটরের দেওয়া তথ্যের সাথে মাঠপর্যায়ে ডিলারদের পাওয়া এলপিজির পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অমিল থাকলে তা আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে।

কোনো এলাকায় এলপিজির সরবরাহে অস্বাভাবিক ঘাটতি, বিতরণব্যবস্থায় বিচ্যুতি কিংবা অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহের হিসাবে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে জ্বালানি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

জাহেদ উর রহমান জানান, জেলা পর্যায় থেকে সংগ্রহ করা তথ্য সমন্বয় করে এলপিজি অপারেটর থেকে ডিলার পর্যন্ত সরবরাহব্যবস্থার একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং বাজারের অনিয়ম শনাক্ত করা সহজ হবে।সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়ানো, নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করা এবং সরবরাহে অস্বাভাবিক ঘাটতি বা অনিয়ম দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।


এই বিভাগের আরো খবর