বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন।
সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তাপমাত্রার পারদ ছিলো ৩৭.৭ ও এর আগের দিন (বৃহস্পতিবার) ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এমন গরমে অতিষ্ঠ সিলেটের লোকজন। প্রায় স্তব্ধ জীবনযাত্রা। সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। মাঝখানে সোমবার
সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে খানিক বৃষ্টি হলেও কমেনি তাপমাত্রা, বরং আরও বেড়ে যায়। এতে গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ।
আজাদ রহমান নামের এক রিকশাচালক বলেন, স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক পাঁচশ থেকে আটশত টাকা আয় হলেও গরমের এই কয়দিনে প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিনশত টাকা রোজগার হয়। তীব্র গরমের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বাসা-বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না, তাই আমাদেরও ইনকাম কম।
তবে চাহিদা বেড়েছে আখের রস, ডাবসহ তরল খাবারের। নগরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়, ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের কাছে লোকজন জড়ো হয়ে লেবুর শরবত, আখের রস ও ডাব কিনে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন।
এদিকে, চলমান তাপপ্রবাহ পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আরও পরিণত হয়েছে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি সামান্য উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে শুক্রবার নিম্নচাপে পরিণত হয়, যার অভিমুখ ছিল বাংলাদেশের দিকে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর এখন উত্তাল।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও শক্তি অর্জন করে শুক্রবার মধ্যরাতে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। শনিবার বিকেলের মধ্যে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। রবিবার (২৬ মে) ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আর এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সিলেটেও হতে পারে বৃষ্টি।