শহরের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বেশি বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা। লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ায় বহুতল ভবন ও বিপনী বিতানের মালিকরা জেনারেটর নির্ভর হয়ে পড়েছেন।
নগরীর উপশহরের বাসিন্দা ও চা পাতা ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, রোববার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তিনি অফিসে অবস্থানকালে অন্তত তিনবার লোডশেডিং করা হয়েছে।
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমেদ বলেন, ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকসহ ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বাড়ছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক লোডশেডিং করার দাবি জানান তিনি।
পিডিবি সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল কাদির বলেন, ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। গত দুই দিন ১৭৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৯৩ ও ৭৮ মেগাওয়াট। সম্প্রতি যা বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে তা দিয়ে এলাকাভিত্তি শিডিউল রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। অতিরিক্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।