আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোমিনুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তায় বিএনপির এই নেতাকে আদালতে আনা হয়। রায়ে জাকির খান মুক্তি পাওয়ায় তার কর্মী সমর্থকসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণে উল্লাস করেন। তবে মামলার বাদী তৈমুর আলম খন্দকার এ দিন আদালতে আসেননি।
গার্মেন্টস সেক্টরে সন্ত্রাস চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী শহরের মাসদাইর এলকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার। এ হত্যাকান্ডের পর নিহতের বড় ভাই তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন৷
প্রায় ৩৪ মাস ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মসিহউদ্দিন আদালতে ৮ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করলে মামলার বিচার শুরু হয়। হত্যাকান্ডের প্রায় ২১ বছর সে মামলায় আজ রায় ঘোষণা করলেন আদালত।
মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করার জন্য আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান নাম জড়িয়ে দেন বলে জানান মামলার আইনজীবী। জাকির খান ছাড়াও তার দুই ভাইসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা ছিলেন এই মামলার আসামি।