নিরাপদ কর্মীই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নিরাপদ কর্মীই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি। পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নগরীর জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাই তাঁদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের অবশ্যই ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে, কর্মদক্ষতা বাড়বে এবং নগরীর স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে নগরীর সোবহানীঘাটস্থ একটি হোটেলের হলরুমে এসএনভি’র (নেদারল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) উদ্যোগে ও সিলেট সিটি করপোরেশনের পানি চক্রের টেকসই রুপন্তর প্রকল্প আয়োজিত নগরীর পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসএনভি’র সিলেট অঞ্চলের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছাঃ রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথিব বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, এসএনভির পানি চক্রের টেকসই রুপন্তর প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইজর সুমন আলী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সামনে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আফজারুল ইসলাম।‘নগরীর পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর প্রকল্প -এর আওতায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিসিকের ৫০জন পরিচ্ছন্ন কর্মীকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে পিপিই, গ্লাভস্, মাস্ক, সেফটি ক্যাপ, গামবুট জুতা এবং সুপার সেফটি সু (সু-জুতো) উপহার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে নেদারল্যান্ডস সরকারের সহায়তায় পরিচালিত উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি’র আয়োজকরা জানান, নগরীর স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।