জগন্নাথপুরে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রনে রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার জগন্নাথপুর উপজেলা এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ও গ্যাসের দাম অতিরিক্ত না রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.মহসীন উদ্দিনের নেতৃত্বে জগন্নাথপুর সদর বাজার এলাকায় গ্যাস বাজার নিয়ন্ত্রনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেন জগন্নাথপুর থানার এসআই অপূর্বসহ পুলিশদল।
প্রথমেই ভ্রাম্যমাণ আদালত জগন্নাথপুর শহীদ মিনার রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সুহেল আহমদের গ্যাসের দোকানে অভিযান করা হয়। দোকানের মালিক সুহেল আহমদ আদালতের প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক জবাবসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে ধরেন। যেন আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন তিনি। এরপরও আদালত তার গ্যাস সিলিন্ডার রাখার গুদামঘর বটেরতল এলাকায় গিয়ে খোলে দেখেন। সেখানে গ্যাসের গুদামভর্তি খালি বোতল পাওয়া যায়। এ সময় গ্যাস ব্যবসায়ী সুহেল আহমদ জানান, আমি বিএম ও ওমেরা গ্যাসের বিক্রয় প্রতিনিধি। আমার এখানে ১৪৫০ টাকায় বিএম ও ১৫০০ টাকায় ওমেরা এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এখানে কোন ত্রুটি না পেয়ে অন্য গ্যাসের দোকানে পরিচালনা করা হয়। এক পর্যায়ে জগন্নাথপুর পশ্চিমবাজার এলাকায় শরীফ মিয়ার হাবিব এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা না থাকায় শরীফ মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শরীফ মিয়া ফ্রেস গ্যাসের বিক্রয় প্রতিনিধি। তার কাছে গ্যাস নেই বলে তিনি আদালতকে জানান। এছাড়া আরো ২টি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে জমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এ সময় ভোক্তাদের মধ্যে অনেকে জানান, এমনিতে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস মিলে না। অতিরিক্ত দামে মাঝে মধ্যে গ্যাস পাওয়া যায়। সরকারী ন্যায্যমূল্যে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।