ঠাকুরগাঁওয়ে গভীর রাতে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব বয়ে গেছে। এতে গাছ উপড়ে পড়া, অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্তসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ দমকা হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাতসহ কালবৈশাখী ও ঘূর্ণিঝড়।
ঘন্টা খানেক ধরে চলে ঝড়ের ব্যাপক তাণ্ডব। এরপর ঝড় কিছুটা কমলেও দফায় দাফায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝড়তে থাকে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে। বিশেষ করে সদর উপজেলা ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আশপাশের এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কৃষকদের ভূট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ঝড়ের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ এমন তীব্র ঝড়ে তারা প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাননি। অনেকেই ঘরের ভেতর আতঙ্কে সময় কাটিয়েছেন।
এদিকে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে স্থানীয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
এর আগে শনিবার সকাল ৭টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপকভাবে তাণ্ডব চালায় কালবৈশাখী ঝড়। এতে একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ও বেশকয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয় এবং বিভিন্ন ফসল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।