সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

প্রেম নিয়ে দ্বন্দ্ব,দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ১৬

ডেস্ক / ৩৯ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
Oplus_131072

নাটোরের বড়াইগ্রামে কিশোরদের প্রেমের দ্বন্দ্বের জেরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোক ডেকে দফায় দফায় ত্রিমুখী সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার পুনরায় উভয়পক্ষ নাটোর-পাবনা মহাসড়কে সশস্ত্র অবস্থায় মুখোমুখি অবস্থান নিলে ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস ও বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড় অতিরিক্ত ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার শিবপুর বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কয়েক দফায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে শিবপুর গ্রামের ওয়াজ প্রামাণিককে (৭০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একই গ্রামের আদিল প্রামাণিক, আব্দুল বারেক প্রামাণিক, কামরুল হাসান, ইসরাইল প্রামাণিক, সজিব হোসেন, গোপালপুর কলোনি গ্রামের আব্দুল আওয়াল, রাব্বি মণ্ডল, মেহেদি হাসান (২৫), ইলিয়াস হোসেন ও গড়মাটি কলোনি গ্রামের নিশাত আহমেদকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৯ মে প্রেমের দ্বন্দ্বে গোপালপুর মৃধাপাড়া গ্রামের আবিরের সঙ্গে শিবপুরের কয়েকজন কিশোরের ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে শুক্রবার আবির ও তার স্বজনরা শিবপুর গ্রামের সজীবকে মারপিট করে। এ সময় গড়মাটি গ্রামের ব্যবসায়ী আবু হানিফ তাদের থামাতে গেলে আবিরের স্বজনরা তাকেও মারপিট করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গড়মাটি কলোনি থেকে হানিফের স্বজনরা লাঠিসোটা নিয়ে শিবপুর বাজারে গেলে গোপালপুর কলোনি ও শিবপুরের লোকজনের সঙ্গে ত্রিমুখী সংঘর্ষ ঘটে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।

রোববার সকালে গোপালপুর, শিবপুর ও পাশের নারায়ণপুরের লোকজন একত্রিত হয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শিবপুর বাজারে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা সেখানে গড়মাটি গ্রামের ভ্যানচালক নিশাতকে (৩০) পিটিয়ে আহত করে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে গড়মাটি কলোনির লোকজনও সশস্ত্র অবস্থায় মহাসড়কে অবস্থান নিলে উভয়পক্ষে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ইউএনও পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং নিশাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। মঙ্গলবার স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর