মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন

মিষ্টির শূন্য আসনে চোখ তাদের, কাকে বেছে নেবে বিএনপি?

ডেস্ক / ১৪ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
মিষ্টির শূন্য আসনে চোখ তাদের, কাকে বেছে নেবে বিএনপি?

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভাঙচুরের ঘটনার জেরে সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে কে পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন-এ নিয়ে দলটির ভেতরে-বাইরে চলছে নানা আলোচনা।

একটি আসনের বিপরীতে অভিজ্ঞ নেত্রী, রাজপথের লড়াকু কর্মী, রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি থেকে শুরু করে সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত মুখ-সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে এক ডজনেরও বেশি নাম। আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও গ্রহণযোগ্যতার হিসাব-নিকাশও কষছে দলটির নীতিনির্ধারক মহল। তবে শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেবে দল, তা নিয়ে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

দলীয় সূত্র বলছে, সরকার গঠনের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিতর্কের মুখে এক সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘটনায় সতর্ক বিএনপি। নতুন প্রার্থী বাছাইয়ে তাই গ্রহণযোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দলের প্রতি ত্যাগকে গুরুত্ব দিতে চায় দলটি। পাশাপাশি বিএনপি ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রীদের বাইরেও সমমনা জোটের শরিক দলগুলোর যেসব নারী নেত্রী দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন, তাদের কারও কপাল খুলতে পারে এমন আলোচনাও আছে।

বিএনপির বাইরেও আলোচনায় যারা

বিএনপির বাইরেও একসময়ের জোটসঙ্গী সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফরের মেয়ে জয়া কাজীর নামও রয়েছে আলোচনায়। এর আগে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

এছাড়াও জোটসঙ্গীদের মধ্যেও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল— জেএসডির সহ-সভাপতি ও আ স ম আবদুর রবের স্ত্রী তানিয়া রবের নামও আলোচনায় এসেছে।

অন্যদিকে ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, দিলরুবা খান, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার ও রিনা খানসহ সংস্কৃতি অঙ্গনের কয়েকজন তারকা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে কেউ মনোনয়ন না পেলেও সংরক্ষিত আসনের উপনির্বাচনে দল এদের বেছে নিতে পারে এমন প্রত্যাশাও করছেন কেউ কেউ।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান

একটি মাত্র আসনের বিপরীতে ডজনেরও বেশি নেত্রীর লবিংয়ের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া দলীয় নীতিনির্ধারকদের জন্য বেশ বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, রাজপথের ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তা এবং সংসদে দলের হয়ে কথা বলার যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল ঘোষণা হওয়ায় শিগগিরই এই আসনে প্রার্থীতা নিয়ে বসবেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় এক শীর্ষ নেতা ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘আকাঙ্ক্ষা থাকা স্বাভাবিক, কারণ সবাই দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার নির্দেশনা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’


এই বিভাগের আরো খবর