রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যের হত্যা মামলায় আটককৃত দুইজন আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি মেলেনি।ওই হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা রোববার রংপুরের জেলগেট থেকে সংগ্রহ করা হয়।
সোমবার ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, “রিপোর্টে ওই দুইজনের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে”।তিনি বলেন, “এটা আট নয়দিন আগের ঘটনা। এত দিন পর এসে মূত্রের পরীক্ষা করা হলে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না এটাই স্বাভাবিক। আগে করালে হয়তো রেজাল্ট ভিন্ন হতো”।
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই ধরনের মাদকের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইউরিন টেস্টে করে সঠিক ফলাফল পাওয়া যাবে না। এজন্য রক্তসহ অন্যান্য পরীক্ষা করতে হয়। এখন যদি বিজ্ঞ আদালত দেশে বা দেশের বাইরে টেস্ট করাতে বলে প্রয়োজনে আলোচনা করে সেটা করা হবে”।
এর আগে ওই দুই আসামীকে আটকের পর পুলিশের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, চারজনকে হত্যার আগে দুইজন আসামি মাদক সেবন করেছিলেন।গত ২২ অগাস্ট রাতে রংপুরের দাসপাড়া মাছুয়াপাড়া এলাকা থেকে জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় একই এলাকা থেকে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।