শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

বাজারে কমেছে ডিম ও মাছের দাম, বাড়তি মুরগি-ডাল

ডেস্ক / ৬ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
বাজারে কমেছে ডিম ও মাছের দাম, বাড়তি মুরগি-ডাল

নিত্যপণ্যের বাজারে মুরগি ও ডালের দাম বেড়েছে। তবে ডজনপ্রতি লাল ডিমের দাম কমেছে ৫ টাকা এবং মাছের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা। সবজির বাজারে বেশির ভাগ পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেগুনের দাম কমেছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।বাজারে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা দরে। সোনালী মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহের তুলনায় সোনালী ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে।

বিক্রেতাদের দাবি, সোনালী ও লেয়ার মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম রয়েছে ১৮০ টাকা কেজিতে।মুরগি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘সংসারের খরচ সামলাতে প্রতিদিনই হিসাব করে বাজার করতে হচ্ছে। মুরগির দাম বাড়লে খাবারের বাজেটেও চাপ পড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী কিনতে হচ্ছে।’

অন্যদিকে ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। লাল ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজনপ্রতি ১৪০ টাকা দরে। এর মধ্যে লাল ডিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ৫ টাকা কমেছে। সাদা ডিমের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।

ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘ডিম পরিবারের প্রতিদিনের খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দাম কমলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। তবে বাজারে সব পণ্যের দাম বিবেচনায় নিয়ে কেনাকাটা করতে হচ্ছে।’মাছের বাজারে রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে। কৈ মাছের দাম ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাঙাস ১৮০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহের তুলনায় রুই ও পাঙাস মাছের দাম কেজিতে ২০ টাকা করে কমেছে।

মাছ বিক্রেতারা বলছেন, রুই ও পাঙাসের দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে অন্যান্য মাছের দাম এখনও ক্রেতাদের সাধ্যের সাথে মিলিয়ে কিনতে হচ্ছে।
ডালের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ছোলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে। খেশারির ডাল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ডাবলি ডাল ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং মুগ ডাল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এসব ডালের দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। এতে আগের তুলনায় ক্রেতাদের কিছুটা বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

ডাল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘চাল-ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে সংসারের খরচ বেড়ে যায়। সব পণ্যের দাম মিলিয়ে কেনাকাটা করতে হয়। তাই কোনো পণ্যের দাম বাড়লে অন্য খাতে খরচ কমানোর চেষ্টা করি।’সবজির বাজারে অবশ্য বেশিরভাগ পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সবজি বিক্রেতারা জানান, অধিকাংশ সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। তবে বেগুনের দাম কিছুটা কমেছে।

বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এছাড়া বেগুন ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, শিম ১২০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা এবং পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। এর মধ্যে বেগুনের দাম কমেছে, অন্য সবজির দাম রয়েছে স্থিতিশীল।

সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘সবজির দাম খুব একটা না বাড়লেও সব পণ্য মিলিয়ে বাজারের খরচ অনেক হয়। বেগুনের দাম কমেছে, এটা ভালো দিক। তবে অন্যান্য পণ্যের দামও কমলে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা সহজ হতো।’


এই বিভাগের আরো খবর