আবহাওয়া অফিস বলছে, আরও কয়েক দিন এমন আবহাওয়া অব্যাহত থাকার পর বৃষ্টি নামতে পারে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল সিলেটে ৩৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা পড়েছে। ঘন্টায় ২ কি.মি গতিতে বাতাস বইছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকালের দিকে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুপুরের প্রখর রোদে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। একটু প্রশান্তির আশায় মানুষকে গাছের ছায়ায় কিংবা শীতল কোনো স্থানে বসে থাকতে দেখা গেছে। গরমে অনেকেই সুরমা নদী, সুইমিং পুলি কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন। এদিকে গরমের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে ডাব, তরমুজ, শসা। এছাড়া কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীও বেড়েছে হাসপাতালগুলোতে।
নগরীতে রিক্সাচালক মুজিবুর রহমান জানান, সকাল থেকে প্রচন্ড গরম পড়ছে। রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে গাছের নিচে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার চালাই। সামনে ঈদ। অনেক খরচ, তাই বসেও থাকতে পারি না।
ভাসমান চা বিক্রেতা রুবেল বলেন, এই কয়েক দিনের গরমে অবস্থা খুব খারাপ। তাই দিনে বেচাকেনা খুব কম। সন্ধ্যার দিকে একটু বেচাকেনা হয়।