সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং সিলেট রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সেবা ও মানবতার মহান ব্রত নিয়ে নার্সরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ান, তা অতুলনীয়। একটি সুস্থ জাতি গঠনে দক্ষ ও ক্ষমতায়িত নার্সের বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আমাদের নার্সিং পেশাকে আরও সম্মান ও গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের নার্সিং সেবার মান আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে কথা বলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নার্সরাই ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছেন। তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
সোমবার (১২ মে) নগরীর দুপুরে চৌহাট্টাস্থ কলেজ প্রাঙ্গণে সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের উদ্যোগে ‘আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ, ক্ষমতায়িত নার্সরাই জীবন বাঁচায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রেনোয়ারা আক্তারের সভাপতিত্বে ও সৌরভ বিশ্বাস এবং অনামিকা চন্দ-এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সেক্রেটারি ও নার্সিং কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবো এই প্রতিষ্ঠানগুলো আরও আধুনিক ও জনবান্ধব হয়ে উঠতে বিশেষ করে নার্সিং কলেজের শিক্ষা মানোন্নয়ন এবং হাসপাতালের সেবার পরিধি বৃদ্ধি পেলে সিলেটের স্বাস্থ্যখাতে এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুলাহ মামুন সামন, নির্ঝর রায়, আবু সাইদ মো: ইব্রাহিম, সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জীবন, মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট ব্ল্যাড ব্যাংকের পরিচালক ডা: তৌহিদ চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান চৌধুরী লাবিব ইয়াসির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের অধ্যাপক মাকসুদা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক আসমা বেগম, পূজা আচার্য সহ কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং নার্সিং শিক্ষার্থীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় এবং কেক কাটার মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পালন করেন অতিথিরা। দিবসটি উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সাজানো হয়েছিল উৎসবের আমেজে।