সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে। তাই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে নগরবাসীকে এ বিষয়ে সর্বাত্মক সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে কাজ করে যাচ্ছে। কেবল সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; পরিচ্ছন্ন নগরী ও সুস্থ সমাজ গড়তে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর সিলেট নগরী গড়ে তোলা সম্ভব। সুরমা বয়েজ ক্লাব সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে তাদের কার্যক্রম প্রশংসনীয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নগরীর কলবাখানি এলাকায় সুরমা বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সুরমা বয়েজ ক্লাবের সিনিয়র সদস্য আব্দুল আহাদ এলিছ এর সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি গোপাল বাহাদুরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন, জামেয়া সিদ্দীকিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা নুরুল আমিন, হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ, সিনিয়র সদস্য মাসুক আহমদ, মির্জা সুহেল জাহিদুল ইসলাম পিয়াস, আব্দুল সত্তার প্রমুখ।
এসময় ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীরা কলবাখানি এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন ও আশপাশের জমাটবদ্ধ ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রদান করেন।