বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন

সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক / ২৭ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬৮ জনের।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। শিশুদের বয়স সাড়ে সাত মাস থেকে তিন বছর ৮ মাসের মধ্যে।তাদের দু’জনের বাড়ি সুনামগঞ্জ ও একজনের বাড়ি মৌলভীবাজার কমলগঞ্জ এলাকায়। তারা সকলেই অপুষ্টিসহ বিভিন্ন শারিরীক জটিলতায় ভূগছিলো বলে জানান চিকিৎসকরা।

এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯৩ জন রোগী।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬২ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭১ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৬ জন এবং পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

এ ছাড়া বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, কোম্পানীগঞ্জে ৪ জন, ধর্মপাশায় ১ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি রোগী চিকিৎসাধীন আছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ১৯২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৫৪ জন। এ ছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১৩ জন এবং পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ৫ শতাধিক রোগী। চিকিৎসকেরা জানান, হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুদের বেশিরভাগই সুনামগঞ্জ ও সিলেটের প্রত্যন্ত এলাকার।প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেটে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে; এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হামে হয়েছে। হবিগঞ্জে সন্দেহজনক মৃত্যু ১৯ এবং নিশ্চিত মৃত্যু ৪ জনের। মৌলভীবাজারে সন্দেহজনক মৃত্যু ১৪ এবং নিশ্চিত মৃত্যু ১ জনের। সুনামগঞ্জে সন্দেহজনক মৃত্যু ৬২ এবং নিশ্চিত মৃত্যু ১ জনের।

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টির যোগান নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।


এই বিভাগের আরো খবর