ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দলিল ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা পাঠ শুরু করেছেন অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ শুরু করেন তিনি।
এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সকাল থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জমায়েত। তবে বৃষ্টির বাগড়ায় অনুষ্ঠানে কিছুটা ছন্দপতন হচ্ছে। আগত ছাত্র-জনতাও পড়ছেন বিড়ম্বনায়। তারপরও সব উপক্ষো করেই জুলাইয়ের পুনর্জাগরণে যোগ দিচ্ছেন হাজারো জনতা। মানিক মিয়া এভিনিউর আশাপাশসহ পুরো এলাকাজুড়ে মানুষের ঢল নামতে শুরু করে।
মগবাজার এলাকা থেকে আসা রাকিবুল ইসলাম নামে এক তরুণ বলেন, বৃষ্টি আমাদের থামাতে পারবে না। গত বছর জুলাইয়ে আমরা যে লড়াই শুরু করেছিলাম, এই লড়াই বৃষ্টি নয়, বুলেট ঝরলেও চলবে।
ব্যাংক কর্মকর্তা সুজাউদ্দৌলা বলেন, জুলাই জাগরণ আমাদের আত্মার লড়াই। এ লড়াইয়ের মঞ্চ ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না সনদ বাস্তবায়ন হয়
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বৃষ্টি মোকাবিলায় কিছু প্রাথমিক প্রস্তুতির কথা জানা গেছে। বিকল্প সাউন্ড সিস্টেম, প্লাস্টিক কভার ও শুকনো কাপড় প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর এক সদস্য।
থেমে থেমে বৃষ্টি পড়লেও মানুষের স্রোত কমছে না। এক পর্যায়ে বৃষ্টির মধ্যেই শুরু হয় ‘জুলাই সনদ চাই’ স্লোগান। বৃষ্টিভেজা এই সমাবেশ যেন হয়ে উঠেছে এক প্রতীকী প্রতিবাদ—যেখানে প্রাকৃতিক বাধাও দমিয়ে রাখতে পারছে না মানুষের ন্যায্য দাবির আকাঙ্ক্ষাকে।