শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

৩৬৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

ডেস্ক / ৯ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
৩৬৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে নির্ধারিত শিখনফল অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগে পাবনার ৯টি উপজেলার ৩৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. আশরাফুল কবীর। গত ২০ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শোকজ নোটিশ জারি করেন। নোটিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তিন থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির বাংলা পাঠদক্ষতা, চতুর্থ শ্রেণির গণিতের চারটি মৌলিক নিয়ম এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাবলীল ইংরেজি পাঠ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে জুন মাসে জেলার এক হাজার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের পর ৩৬৭টিতে নির্ধারিত শিখনফল অর্জনে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি পাওয়া যায়।

শোকজ পাওয়া বিদ্যালয়ের মধ্যে সাঁথিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৭৪টি বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া আটঘরিয়ায় ৫৯টি, পাবনা সদরে ৫৪টি, বেড়ায় ৫০টি, চাটমোহরে ৪৮টি, সুজানগরে ৪১টি, ঈশ্বরদীতে ২৩টি, ভাঙ্গুড়ায় ১১টি এবং ফরিদপুর উপজেলায় ৭টি বিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষক সংকট না থাকা সত্ত্বেও পৌর এলাকার কয়েকটি স্বনামধন্য বিদ্যালয়ও এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

এদিকে শিক্ষা প্রশাসনের এ পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক। তাঁদের দাবি, শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মূল্যায়ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। বেড়া উপজেলার এক সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিনিধি দিয়ে পক্ষপাতমূলক মূল্যায়নের অভিযোগও উঠেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষকদের লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।৩৬৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে নির্ধারিত শিখনফল অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগে পাবনার ৯টি উপজেলার ৩৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. আশরাফুল কবীর। গত ২০ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শোকজ নোটিশ জারি করেন। নোটিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তিন থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির বাংলা পাঠদক্ষতা, চতুর্থ শ্রেণির গণিতের চারটি মৌলিক নিয়ম এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাবলীল ইংরেজি পাঠ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে জুন মাসে জেলার এক হাজার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের পর ৩৬৭টিতে নির্ধারিত শিখনফল অর্জনে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি পাওয়া যায়।

শোকজ পাওয়া বিদ্যালয়ের মধ্যে সাঁথিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৭৪টি বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া আটঘরিয়ায় ৫৯টি, পাবনা সদরে ৫৪টি, বেড়ায় ৫০টি, চাটমোহরে ৪৮টি, সুজানগরে ৪১টি, ঈশ্বরদীতে ২৩টি, ভাঙ্গুড়ায় ১১টি এবং ফরিদপুর উপজেলায় ৭টি বিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষক সংকট না থাকা সত্ত্বেও পৌর এলাকার কয়েকটি স্বনামধন্য বিদ্যালয়ও এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

এদিকে শিক্ষা প্রশাসনের এ পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক। তাঁদের দাবি, শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মূল্যায়ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। বেড়া উপজেলার এক সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিনিধি দিয়ে পক্ষপাতমূলক মূল্যায়নের অভিযোগও উঠেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষকদের লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর