মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

কলকাতায় ২ দিনে বন্ধ ২ শতাধিক হোটেল, বিপাকে বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৭ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
কলকাতায় ২ দিনে বন্ধ ২ শতাধিক হোটেল, বিপাকে বাংলাদেশি

ভয়াবহ আগুনে ৭ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের মৃত্যুর পর কলকাতার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ঘটনায় নিউমার্কেট এলাকায় গত ৪৮ ঘণ্টায় ২ শতাধিক হোটেল বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের অভিযানের কারণে বিপাকে পড়েছে হাজারো বাংলাদেশি পর্যটক। কেউ ছুটছেন অন্য হোটেলের খোঁজে, কেউ নিচ্ছেন দেশে ফেরার প্রস্তুতি।১৯ আগস্ট শিখা ইন হোটেলে ঘটা সেই অগ্নিকাণ্ডের পর অগ্নিনিরাপত্তায় কোনো ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে শুরু হয় ব্যাপক অভিযান। ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার অডিট, পুলিশ পারমিশন, ফায়ার অ্যালার্ম ও জরুরি নির্গমন সিঁড়িসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে একের পর এক হোটেল ও রেস্তোরাঁ।

কলকাতার মারকুইজ স্ট্রিট, কলিন স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও মির্জা গালিব স্ট্রিটে অভিযানে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বাংলাদেশি পর্যটকেরা। বর্তমানে কলকাতায় থাকা প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশির মধ্যে ৭ হাজারই থাকছেন নিউমার্কেট এলাকায়।কলকাতায় থাকা এক বাংলাদেশি পর্যটক বলেন, ‘ভারত সরকারের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ, বাংলাদেশ থেকে যারা চিকিৎসা বা ঘুরতে আসছে তাদেরকে একটু ছাড় দেওয়া হোক।’কলকাতায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া এক বাংলাদেশি বলেন, ‘চিকিৎসা নিতে এসে যদি হোটেলে থাকা নিয়েই পেরেসানি হয়, তাহলে পরবর্তীতে এখানে আসাটা কষ্ট হয়ে যাবে।’

এদিকে, নতুন হোটেল পেলেও দালালের মাধ্যমে থাকার ব্যবস্থা করতে গিয়ে পর্যটকদের গুণতে হচ্ছে দুই থেকে তিনগুণ ভাড়া। শুধু পর্যটক নন, নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী, রিকশাচালকসহ অন্য পেশার মানুষও উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্যই ওই এলাকায় গড়ে উঠেছে হোটেল, খাবারের দোকান, পরিবহন ও কেনাকাটাসহ নানা ব্যবসা। টুরিস্ট ভিসা চালুর পর পর্যটক বাড়লেও হোটেল বন্ধ হওয়ায়, ব্যবসায় নতুন ধাক্কা লেগেছে। তবে প্রশাসন সাফ জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়। প্রয়োজনীয় বিধি না মানা হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।


এই বিভাগের আরো খবর