আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সিলেটের বিশ্বনাথে শুরু হয়েছে আগাম নির্বাচনী তৎপরতা। সোমবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ায় উপজেলার গ্রামীণ জনপদে এরই মধ্যে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। হাট-বাজার ও চায়ের আড্ডায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা।দলীয় প্রতীক না থাকলেও উপজেলার আটটি ইউনিয়নে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। দলীয় সমর্থন পাওয়ার আশায় এরই মধ্যে ৫৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা বিএনপির কাছে নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।
উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, লামাকাজি ইউনিয়নে ৩ জন, খাজাঞ্চি ইউনিয়নে ৬ জন, অলংকারি ইউনিয়নে ৭ জন, রামপাশা ইউনিয়নে ৯ জন, দৌলতপুর ইউনিয়নে ৮ জন, বিশ্বনাথ ইউনিয়নে ৪ জন, দেওকলস ইউনিয়নে ৭ জন এবং দশঘর ইউনিয়নে ১১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবেদন করেছেন।
আবেদনকারীদের মধ্যে বর্তমান দুই চেয়ারম্যানও রয়েছেন। তারা হলেন দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান ও দশঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমাদ উদ্দিন খান। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নিজেদের মাঠের জনপ্রিয়তা ও দলের জন্য দীর্ঘদিনের ত্যাগের মূল্যায়ন চান। দলীয় সমর্থন পেলে তারা বিজয়ের হ্যাটট্রিক করতে চান বলেও জানিয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া চেয়ারম্যান জানান, আটটি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভা হয়েছে। এসব সভায় প্রতিটি ইউনিয়নের দলীয় সমর্থন প্রত্যাশীদের নামের তালিকা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আট ইউনিয়নে ৫৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য একজন করে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি গৌছ আলী জানান, দলীয় প্রতীক না থাকলেও প্রার্থীদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, দলের সক্রিয় ভূমিকা, গ্রহণযোগ্যতা এবং অতীতের ত্যাগ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য বিএনপির প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।