বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়। প্রধান আচার-অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—
মসজিদ, মাদরাসা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও কিয়ামের আয়োজন করা হয়। মহানবী (সা.)-এর বর্ণাঢ্য জীবন, তার সুমহান আদর্শ, শিক্ষা, সীরাত এবং মানবতার বার্তা নিয়ে ওয়াজ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনেকে রাতে নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আখগারের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করেন। নবীজির প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করা হয়।
অনেক স্থানে এ দিনে মিলাদ উপলক্ষে তবারক বিতরণ, গরিব ও দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং ইসলামের শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা প্রচার করা হয়।