উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, নতুন সেতুটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, পর্যটন এবং পণ্য বাণিজ্যও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ২০২৪ সালে ইউক্রেনীয় বাহিনীর কুর্স্ক অঞ্চলে অভিযানের সময় রাশিয়াকে সহায়তা করতে উত্তর কোরিয়া হাজার হাজার সেনা পাঠায়।উদ্বোধনী বক্তব্যে মিশুস্তিনও বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেন। তিনি সম্প্রতি রুশ সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রুশ ভূখণ্ড রক্ষায় লড়াই করা ‘কোরীয় বীরদের’ প্রশংসা করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার কিয়ংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর ফার ইস্টার্ন স্টাডিজের অধ্যাপক লিম উল-চুলের মতে, নতুন সেতুটি উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোর কার্যকারিতা কমে যাওয়ার বিষয়টিই তুলে ধরছে।
তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়া নিজেদের স্বার্থ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে রাশিয়া এই সেতুর মাধ্যমে সামরিক সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও জনবল—যার মধ্যে সেনাসদস্যও রয়েছে—পরিবহনের জন্য একটি সরাসরি সড়কপথ পেয়েছে। ইউক্রেনে চলমান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই যোগাযোগব্যবস্থা রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।