সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই গ্যালারির দর্শকদের স্তম্ভিত করে দেয় চেলসি। খেলা শুরুর মাত্র ৭৭ সেকেন্ডের মাথায় ফ্রি-কিক থেকে আসা ফিরতি বল নিখুঁত ভলিতে জালে জড়িয়ে চেলসিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ইংলিশ মিডফিল্ডার মরগান রজার্স।
শুরুতেই ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। বুকায়ো সাকা, মার্টিন ওডেগার্ড ও কাই হাভার্টজদের দারুণ পাসিংয়ে চেলসি রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে আর্সেনাল। মাঝপথে অফসাইডের কারণে গানার্সদের একটি গোল বাতিল হলেও বিরতির আগেই সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। ডান দিক থেকে বক্সে ঢুকে নিচু নিখুঁত শটে গোল করে আর্সেনালকে ১-১ সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে চেলসির পেদ্রো নেতোর শট পোস্টে লেগে না ফিরলে আবারও পিছিয়ে পড়তে পারত আর্সেনাল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধারা বজায় রেখে কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোলের দেখা পায় গানার্সরা। হাভার্টজের বুদ্ধিদীপ্ত ডামি পাস থেকে বল পেয়ে পেনাল্টি বক্সের কাছে দাঁড়িয়ে ঠাণ্ডা মাথায় গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড (২-১)।
ম্যাচের বাকি সময়ে ম্যাচে ফিরতে চেলসি বেশ কয়েকটি আক্রমণ পরিচালনা করলেও আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার দেয়াল ভাঙতে পারেনি। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে এস্টেভাওয়ের একটি নিশ্চিত বিপজ্জনক শট পরাস্ত করে আর্সেনালের পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন রায়া।