ভয়াবহ হোটেল অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা প্রশাসনের নিরাপত্তা অভিযানে একের পর এক কম খরচের হোটেল ও গেস্টহাউস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসার জন্য শহরটিতে যাওয়া বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনেরা বড় আবাসন সংকটে পড়েছেন। অনেককে আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে, আবার কেউ কেউ হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার জায়গাই খুঁজে পাচ্ছেন না।
গত ১৯ আগস্ট নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। আগুনের পর কলকাতা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, দমকল বিভাগ ও পুলিশ শহরের হোটেল-গেস্টহাউসগুলোতে নিরাপত্তা ও অনুমোদন যাচাই শুরু করে।
এরপরই শুরু হয় ব্যাপক অভিযান। ২২ আগস্টের মধ্যে কেন্দ্রীয় কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় অন্তত ৫২টি হোটেল বন্ধ হয়ে যায় বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে। পরে অভিযান আরও বিস্তৃত হয় এবং দ্য ডেইলি স্টারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতাজুড়ে ১০০টির বেশি হোটেল ও গেস্টহাউস বন্ধ হয়েছে অথবা বন্ধ হওয়ার মুখে রয়েছে।