মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

গ্রামীণফোনের ৪ হাজার কর্মীর বকেয়া আদায়ে মানববন্ধন

ডেস্ক / ১৯ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গ্রামীণফোনের ৪ হাজার কর্মীর বকেয়া আদায়ে মানববন্ধন

গ্রামীণফোনের ৪ হাজারের বেশি সাবেক ও বর্তমান কর্মীর বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে শ্রমিকদের ঐক্য পরিষদ।মানববন্ধনে ২০১০-২০১২ মেয়াদের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ তহবিল ও শ্রমিক কল্যাণ তহবিল সংক্রান্ত ৫% বিলম্বজনিত পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়।

‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে সাবেক কর্মীদের ন্যায্য পাওনা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ এ বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হলে তা শুধু কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা দেবে না, বরং সরকারি কোষাগারেও প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব যুক্ত হতে পারে।

মানববন্ধনে জানানো হয়, এ সমস্যার সমাধান কেবল কর্মীদের ব্যক্তিগত অধিকার নয়; এর সাথে বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব, বিদেশি মুদ্রার আগমন ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিশীলতা যুক্ত। এনবিআর প্রাক্কলন ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিলে বৈধ ব্যাংকিং মাধ্যমে অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অভ্যন্তরে সঞ্চয় ও বিনিয়োগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সাদাত মো. শোয়েব জানান, গত ৩ আগস্ট এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। তবে এ পর্যন্ত তার কার্যকর কোনো জবাব বা দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি।

আজকের কর্মসূচি থেকে এনবিআরের কাছে ৫টি বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে –

গত ৩ আগস্টের স্মারকলিপির পর এনবিআর কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

সম্ভাব্য সরকারি রাজস্বের বিষয়টি নিয়ে কোনো পর্যালোচনা করা হয়েছে কি না?

সরকারের সম্ভাব্য প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব যাচাইয়ে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?

শ্রম মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণফোনের সাথে কোনো সমন্বয় সভা করা হয়েছে কিনা?

দীর্ঘ অনিষ্পন্নতার কারণে সরকার কোনো রাজস্ব হারাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি না?

মানববন্ধন থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা এ পাওনা আদায়ে এনবিআরের তরফ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর ভূমিকা না দেখা গেলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর