শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণ ফাঁদ

হাসান মোহাম্মদ বদরুল, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি / ১৮২ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণ ফাঁদ,প্রতিদিন করছে দুর্ঘটনা ৫৬.১৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটারই ভাঙাচোরা, বড় বড় গর্তে বাড়ছে দুর্ঘটনা; মাসে প্রাণ যাচ্ছে ৫-৭ জনের সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত প্রায় ৫৬.১৬ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার অংশই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের দাবি, এই মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রতি মাসে গড়ে ৫ থেকে ৭ জনের প্রাণহানি ঘটছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। কোথাও কোথাও সড়কের পিচের অস্তিত্বই নেই। বৃষ্টির পানি জমে অনেক গর্ত আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচলের সময় প্রায়ই মুখোমুখি হচ্ছে দুর্ঘটনার। বিশেষ করে জৈন্তাপুর, দরবস্ত, সারিঘাট, হরিপুর, চিকনাগুল, তামাবিল ও জাফলংমুখী সড়কের বিভিন্ন অংশে সড়কের বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন চালক ও পথচারীরা। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ভারী পাথর ও বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের পাশে অবৈধভাবে দোকানপাট, পাথরের স্তূপ, বালু-পাথরের মজুদ, ট্রাক পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে ওঠায় সংকুচিত হয়ে পড়ছে মহাসড়ক। এতে একদিকে যানজট বাড়ছে, অন্যদিকে পথচারীদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বড় বড় গর্ত, পর্যাপ্ত আলোর অভাব এবং সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভারী যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ৫৬.১৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও কার্যকরভাবে সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি কমছে না। তাদের দাবি, এই সড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রতি মাসেই একাধিক মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “সড়কের গর্তগুলো এখন মানুষের জন্য মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি চালকরা গর্ত এড়াতে গিয়ে অনেক সময় বিপরীত লেনে চলে যাচ্ছেন। এতে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে।” চালকদের অভিযোগ, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের পাশাপাশি অবৈধ পার্কিং ও পাথর-বালু রাখার কারণে স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে সময়ের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত মহাসড়কের ভাঙাচোরা অংশগুলো সংস্কার, বড় গর্তগুলো মেরামত, অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ, মহাসড়কের পাশে পাথর-বালু মজুদ বন্ধ এবং যত্রতত্র ট্রাক পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সড়কটিকে নিরাপদ করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণ ফাঁদ

৫৬.১৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটারই ভাঙাচোরা, বড় বড় গর্তে বাড়ছে দুর্ঘটনা; মাসে প্রাণ যাচ্ছে ৫-৭ জনের সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত প্রায় ৫৬.১৬ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার অংশই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের দাবি, এই মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রতি মাসে গড়ে ৫ থেকে ৭ জনের প্রাণহানি ঘটছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। কোথাও কোথাও সড়কের পিচের অস্তিত্বই নেই। বৃষ্টির পানি জমে অনেক গর্ত আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচলের সময় প্রায়ই মুখোমুখি হচ্ছে দুর্ঘটনার।

বিশেষ করে জৈন্তাপুর, দরবস্ত, সারিঘাট, হরিপুর, চিকনাগুল, তামাবিল ও জাফলংমুখী সড়কের বিভিন্ন অংশে সড়কের বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন চালক ও পথচারীরা। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ভারী পাথর ও বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের পাশে অবৈধভাবে দোকানপাট, পাথরের স্তূপ, বালু-পাথরের মজুদ, ট্রাক পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে ওঠায় সংকুচিত হয়ে পড়ছে মহাসড়ক।

এতে একদিকে যানজট বাড়ছে, অন্যদিকে পথচারীদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বড় বড় গর্ত, পর্যাপ্ত আলোর অভাব এবং সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভারী যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ৫৬.১৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও কার্যকরভাবে সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি কমছে না। তাদের দাবি, এই সড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রতি মাসেই একাধিক মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “সড়কের গর্তগুলো এখন মানুষের জন্য মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি চালকরা গর্ত এড়াতে গিয়ে অনেক সময় বিপরীত লেনে চলে যাচ্ছেন। এতে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে।”
চালকদের অভিযোগ, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের পাশাপাশি অবৈধ পার্কিং ও পাথর-বালু রাখার কারণে স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে সময়ের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত মহাসড়কের ভাঙাচোরা অংশগুলো সংস্কার, বড় গর্তগুলো মেরামত, অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ, মহাসড়কের পাশে পাথর-বালু মজুদ বন্ধ এবং যত্রতত্র ট্রাক পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সড়কটিকে নিরাপদ করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।


এই বিভাগের আরো খবর