সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

ফের বিস্ফোরক মামলায় মেয়র আনোয়ারুজ্জামানসহ আসামি ২৫০ জন

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৪৪ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪

সিলেটে বিস্ফোরক মামলায় ফের সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নগরের ঘাসিটুলার মো. আবুয়েল কালামের ছেলে মো. বোরহান উদ্দিন বাদি হয়ে গত মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাতে কোতোয়ালি থানায় এ মামলাটি (নং ২৫(১০)২০২৪) দায়ের করেন।

মামলায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৫০ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০/২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক। তিনি বলেন, ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের ৩/৪ তৎসহ ১৪৮/১৪৯/৩২৬/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১০৯/১১৪ ধারায় মামলাটি রুজু হয়েছে।

আনোয়ারুজ্জামান ছাড়াও এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন-সিলেট জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পিযুষ কান্দি দে, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন জাকির, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ওরফে পাথর শামীম, নগরীর ২নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ইমন প্রকাশ, সুনামগঞ্জ যুবলীগ নেতা লাহেদ, যুবলীগ নেতা আফজল, অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, রুমন আহমদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মুসতাক আহমদ, জেলা যুবলীগ নেতা আব্দুল জব্বার, মহানগর যুবলীগ নেতা রওশন হাবিন, গোলজার আহমদ রামদা গুলজার, মো. আব্দুল্লাহ, আলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মুজিবুর আল রহমান, তাজ উদ্দিন, মিজান, পাপলু, সৈয়দ সেলিম, যুয়াদ মিয়া তালুকদার , আরিয়ান আহমদ রবিন, শাহ খালেদ, আওয়ামী লীগ নেতা রুহেল খন্দকার, মোহাম্মদ আলী, রাহেদ মিয়া, শাওন, শহিদ, ফারুক, আকছার মিয়া, রমজান আলী, জয়নুল আবেদীন জেনেল, আমিনুর রহমান তামিম, ছামাদ মিয়া, জাবেদ মিয়া, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ইলিয়াস আলী, আবু বক্কর, মনোজিৎ ভূষন দত্ত, জুনেল আহমেদ, রুবেল আহমদ, আল-আজাদ, মুকিত, রাসেল, জামালগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান আহমেদ ইমন ও মো. সাইফুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ৪ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে নগরের বন্দরবাজার কুদরত উল্লাহ মসজিদের সামনে এবং হাসান মার্কেটের সম্মুখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মিছিল বের করে। এ মিছিলে তার ভাই মিজানও (১৮) অংশ নেন। এ সময় ১নং আসামি মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে বন্দুক, কাটা রাইফেল, ককটেল, রামদা, লাঠি ও লোহার রডসহ অবৈধ অস্ত্র নিয়ে আসামিরা মিছিলে হামলা চালায়। আসামির ছোড়া গুলি তার ভাই মিজানের চোখে লাগে। তখন আসামিরা তাকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে মারধর করে। পরে এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছোড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসামিরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় মিজানকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। গুলিতে তার ভাই মিজানের ডান চোখ অন্ধ হয়ে গেছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর