রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২৯ মোট শেয়ার
হালনাগাদ : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮ জন

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চল ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ভূমিকম্পে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভয়াবহ এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। খবর রয়টার্সের

দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র ধীরে ধীরে স্পষ্ট হওয়ার মধ্যে উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান জানান, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় ওই দ্বীপের চারটি পৃথক শহরে অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।ফাতুর বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষদের খুঁজে বের করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ তবে ভূমিধসের কারণে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক হিসাবে ৫৪টি বাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাংগারাই প্রদেশকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রের সবচেয়ে কাছের এলাকা নাজেওকোতে শনিবার সকালে সমুদ্রের পানি হঠাৎ সরে যেতে দেখে বাসিন্দারা দ্রুত উঁচু স্থানের দিকে ছুটে যান। সমুদ্রের পানি এভাবে সরে যাওয়া সম্ভাব্য সুনামির লক্ষণ হতে পারে।পরে সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও আফটারশকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের সেসব ভবনে ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে কয়েক ডজন আফটারশক অনুভূত হয় হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৬.১।ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি হয়েছিল ২০০৪ সালে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।


এই বিভাগের আরো খবর