তিব্বতে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের কম্পন নেপালেও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির কয়েক দিন পর আবারও দুর্যোগের মুখোমুখি হলো অঞ্চলটি।
নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে নিখোঁজের সংখ্যা নিশ্চিত করতে কাজ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে হিমবাহ ও পাহাড় ধসে সড়ক, সেতু ও ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ার পর নেপালে উদ্ধার অভিযান ১৪তম দিনে প্রবেশ করেছে।
নিখোঁজদের মধ্যে শতশত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মীও রয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার গভীর টানেলের ভেতর আটকে থাকা দুই নেপালিকে এবং শনিবার একজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আরও জীবিত মানুষ উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে। হিমবাহ ধসের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ায় এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।